Already Planted 18,372 Trees.... Our Mission is To Plant 1 Lac Trees

Monday, July 31, 2017

How trees make a difference

Planting trees is one of the easiest and most sustainable ways to positively affect the environment. We need trees now more than ever!  Trees are our lifeline to cleaner air and a healthier environment.


Here’s how trees make a difference:
  1. Trees improve air quality by producing oxygen. They also store carbon, offsetting harmful byproducts of fossil-fuel burning.
  2. They moderate the effects of sun and wind, and they clean the air by trapping dust, pollen and other pollutants.
  3. Planted in the right places around buildings, trees can significantly reduce air-conditioning costs. This means less Freon, an inflammable and odorless chemical emitted from air conditioners. It is considered to have damaging effects to the ozone layer.
  4. Trees increase property value.
  5. Trees generate jobs and contribute raw materials for buildings, newspapers, books, etc. They are renewable, biodegradable and recyclable.
  6. They provide shelter and food for wildlife such as birds, squirrels and bugs.
  7. Trees make people feel good. Workers are more productive when they see trees along their commute routes and from their office windows.
  8. Landscapes that include trees help relax us, lower heart rates and reduce stress.

Sunday, July 30, 2017

দুটি গাছ উৎসব একই দিনে



গতকাল ২৯শে জুলাই আমরা বেলাবোভৈরবে দুটি পৃথক গাছ উৎসব উদযাপন করতে পেরে খুবই আনন্দিত। দুটি গাছ উৎসবে আমরা ২১১১ টি ফলজ বনজ গাছ লাগিয়েছি ২১১১ টি গাছ নিয়ে আমাদের মোট গাছ দাঁড়ালো ১১,১৬১ টি

Guest Member, Tamim Rahman


মোঃ জাকারিয়া

মারজান হক
 
আমরা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি বেলাবো গাছ উৎসবের আয়োজক মারজান হক ও ভৈরব গাছ উৎসবের আয়োজক মোঃ জাকারিয়াকে আসলে আয়োজকদের (Host) সহায়তা ছাড়া গাছ উৎসব প্রায় অসম্ভব একটা ব্যাপার। বিভিন্ন স্কুলে যোগাযোগ করে প্রস্তুত করে রাখা , গাছ সময় মতো স্কুলে পৌঁছানো, গাছ নিয়ে যাওয়ার ভ্যান/পিক-আপ ঠিক করে রাখা থেকে শুরু করে প্রতিটি ধাপে আমাদের সব গাছ উৎসবের আয়োজকরা হাসিমুখে অক্লান্ত পরিশ্রম করে সফলভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তা করেছেন। 

তামিম রহমান, ১ম গাছ উৎসবে

 আমাদের Guest Member তামিম রহমানকে ও অনেক অনেক ধন্যবাদ আমাদের সাথে থেকে গাছ উপহার দিতে, গাছ ভ্যানে উঠাতে সহায়তা করার জন্য। ঘেমে একাকার হয়েও তামিম হাসিমুখে কাজ করেছে প্রতিটি ধাপেই। আশা করছি অন্যান্য Guest Member দের মত তামিম ও Tree for Mankind  এর সক্রিয় সদস্য হয়ে যাবে কিংবা একটি গাছ উৎসবের আয়োজন করবে এবং তার বন্ধুদের সম্পৃক্ত করবে আমাদের গাছ উৎসবে। বলে রাখা ভালো আমাদের প্রথম গাছ উৎসবেও তামিম Guest Member হিসেবে উপস্থিত থেকে একই রকম ভাবে  হাসিমুখে কাজ করে আমাদেরকে সহায়তা করেছে। 
ছবির চেয়েও সুন্দর বেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ


স্কুলের স্যারদের আন্তরিক আপ্যায়ন ও সহযোগিতার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আমরা আনন্দিত ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের সামান্য গাছ উপহার নিয়ে হাসি মুখ দেখে। তাদের হাসি মুখে আমাদের উপহার গ্রহণ করাটাই আমাদেরকে পরবর্তী গাছ উৎসবের জন্য অধীর আগ্রহ বেড়ে যায় বহুগুণে।
আর এ জন্যই আমাদের লক্ষ্যমাত্রা প্রতিটি গাছ উৎসবের পরই বেড়ে যাচ্ছে সেই শুরু করার পর থেকেই। ৫০০০ থেকে ৮০০০ টির লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এখন আমরা ১২০০০ টি গাছ লাগানোর আশা করছি যা আমাদের ২বছরের লক্ষমাত্রার সমান। 

Thursday, July 27, 2017

আমাদের ৮ম গাছ উৎসব ভৈরবে



আগামী ২৯শে জুলাই ভৈরবে আমাদের ৮ম গাছ উৎসব উদযাপন করতে যাচ্ছি । 

আপনিও আসুন আমাদের গাছ উৎসবে আপনাদের বয়সের সমান সংখ্যক গাছ নিয়ে।


ভৈরব কিশোরগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। ভৈরব উপজেলার উত্তরে কুলিয়ারচর উপজেলা, পশ্চিমে নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলা, দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্চারামপুর উপজেলা এবং পুর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলা অবস্থিত।


মুক্তাগাছার জমিদার ভৈরব রায় তার জমিদারী সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে  এই এলাকায় মানব বসতি গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে জমিদারের নামানুসারেই এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয় ভৈরব বাজার। আবার এই রকম মতও আছে যে ভৈরব মানে ভয়ংকর সেই জন্য এই নামকরণ করা হয়েছে।পার্শ্ববর্তি গ্রামগুলোর নাম দেয়া হয় তাঁর ভাই-বোনদের নামানুসারে ভৈরবপুর,শম্ভূপুর, জগন্নাথপুর, চণ্ডিবের, শিবপুর, কালীপুর,কালিকাপ্রসাদ ও লক্ষীপুর। ভৈরবের আদি নাম ছিল উলুকান্দি।

রাজা ৬ষ্ট জর্জ সেতু ও সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু

সড়কপথ, রেলপথ ও নৌপথে ত্রিমাত্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে ভৈরবে। ভৈরব দেশের বিভিন্ন জেলার প্রবেশদ্বার হওয়ায় ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে বিবেচিত।
১৯৩৫-১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে মেঘনা নদীর উপর King George the Sixth Bridge বারাজা ৬ষ্ট জর্জ সেতু’(ভৈরব রেল সেতু) নির্মিত হয়। সেতুটির নির্মাণ ব্যয় হয় ভারতীয় মুদ্রায় ৬৪ লক্ষ টাকা। এ বছরই ডিসেম্বর, ১৯৩৭ সেতুটির উপর দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু করে।
আসাম বেংগল রেলওয়ে এই পুলের উপর দিয়ে প্রথম মালগাড়ী  চলাচল শুরু করে ১৯৩৭ সালে ১ সেপ্টেম্বর এবং তা উদ্ধোধন করেন বাংলার প্রধানমন্ত্রী শের-এ-বাংলা এ,কে ফজলুল হক। ঐ বছরই ৬ ডিসেম্বর থেকে সেতুটির উপর দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
  
ব্রিটিশ আমল থেকে ভৈরব ব্যবসাকেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত। ভৈরবকে তাই অনেক সময় ভৈরব বাজার বলেও অভিহিত করা হয়।

দেশের কয়েকটি পাইকারি কয়লা বিক্রয়কেন্দ্রের মধ্যে ভৈরব একটি। ভারতের মেঘালয় থেকে সুনামগঞ্জের তাহেরপুরের টেকেরঘাট হয়ে নদীপথে ভৈরবে কয়লা আমদানি করা হয়। 

ভৈরবে উৎপাদিত জুতা ারা দেশে এখন বেশ জনপ্রিয়।  জুতা উৎপাদনের ক্ষেত্রে পুরান ঢাকার পরই ভৈরবের অবস্থান।

বন্দরনগরী ভৈরবের রাতের মাছের আড়ত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ মাছের আড়ত হিসেবে পরিচিত