Planted 26,980 Trees....Mission to plant 1 Lac Trees

Monday, May 23, 2022

Hashemi Rafsan joined Tree for Mankind

We are Happy to inform you that Mr. Hashemi Rafsan joined Tree for Mankind as a member. 

He gifted us 40 Trees on 7th October 2021. 

We are Thankful to Hashemi Rafsan for supporting Tree for Mankind.


 
Here is our Team


Join us, it is so easy, each Tree cost only 10tk..Please Plant Trees at your suitable place or you can gift your Trees, we will plant for you any where in Bangladesh.



Saturday, May 14, 2022

নাগেশ্বরী গাছ উৎসব

 Tree for Mankind এর এবারের গাছ উৎসব ছিল কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়নের দুটি স্কুলে। বেরুবাড়ী দ্বিমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বেরুবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমরা ২৩০ টি গাছ উপহার দিয়েছি।



 শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ আঙ্গিনায় গাছ লাগিয়ে সেগুলোর যত্ন নিয়ে বড় করে তুলবে এটাই আমাদের বিশ্বাস। কারন গাছ উপহার পেয়ে তারা প্রত্যেকেই ছিলো অনেক খুশি অনেক আনন্দিত। 



প্রত্যেকে নিজ নিজ বয়সের সমান গাছ লাগান এটাই আমাদের মূল স্লোগান হলেও এই বছর থেকে আমাদের আরেকটি স্লোগান হচ্ছে "গাছ লাগাই, গাছ বাঁচাই"। 





এবারই প্রথম আমরা ব্যানার ব্যবহার করেছি গাছ উৎসবে। সেচ্ছাসেবকদের ইচ্ছাতেই এই ব্যানার তৈরি করা হয়েছে। 



সকলের প্রতি একটি আহবান প্রত্যেকে নিজ নিজ বয়সের সমান গাছ লাগান, অথবা সম পরিমান গাছ আমাদের উপহার দিন, আপনার হয়ে Tree for Mankind এই গাছ তুলে দিবে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের হাতে। এভাবেই আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য সবুজ পৃথিবী গড়তে হবে আমাদেরকেই। 

তাই আসুন গাছ লাগাই, গাছ বাঁচাই।    

Sunday, May 10, 2020

Friday, January 17, 2020

শ্রদ্ধেয় জাফর ইকবাল স্যারের কাছে একটি অনুরোধ


শ্রদ্ধেয় প্রিয় স্যার,


সালাম নিবেন। প্রথমেই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে চাই আপনার শত ব্যস্ততার মাঝেও আমার এই লেখাটা পড়ছেন বলে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন কখনো বলার সাহস পাইনি - আপনি আমার প্রিয় মানুষদের মাঝে অন্যতম একজন। আপনার ছাত্র হতে পেরে যে গৌরববোধ করি তা আমৃত্যু আমার চলার পাথেয়।

আজকে বিশেষ একটি উদ্দেশ্য নিয়েই আপনাকে লিখছি স্যার। আপনি জেনে খুশি হবেন আমরা কয়েকজন বন্ধু ও সহকর্মী মিলে ২০১৭ সাল থেকে Tree for Mankind নামে একটি সংগঠন পরিচালনা করছি। আমাদের এ সংগঠন বাংলাদেশ বন বিভাগ থেকে ফলজ বনজ ও ওষধি গাছের চারা সংগ্রহ করে বিভিন্ন জেলার স্কুলের শিক্ষার্থীদের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দিই। এখন পর্যন্ত আমরা ৪৩ টি স্কুলের ২৩,৮০০ জন শিক্ষার্থীর হাতে ২৩,৮০০ টি গাছের চারা উপহার দিতে সমর্থ হয়েছি। আমরা স্বপ্ন দেখি এই Tree for Mankind সারাদেশে এক সময় এক কোটি গাছের চারা রোপণ করবে এবং তা হবে বিভিন্ন স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাত ধরে। আমরা বিশ্বাস করি একজন শিক্ষার্থীকে তার শৈশবে যদি বৃক্ষ রোপনে উদ্বুদ্ধ করা যায় তবে তার হাতে তুলে দেয়া গাছটির প্রতি সে বিশেষ যত্ন নিবে এবং এক সময় তার বেড়ে উঠার সাথে সাথে সেই গাছটিও বেড়ে উঠবে। আর তখনই আমাদের এই প্রচেষ্টা সার্থক হবে।


স্যার আপনার কাছে আমাদের Tree for Mankind এর পক্ষ থেকে একটি অনুরোধ থাকবে, আপনার আগামী কোনো লেখনীতে কিংবা বই মেলায় প্রকাশিতব্য কোনো বইয়ের কোন একটি অংশে আমাদের স্কুলগামী ও কলেজগামী শিক্ষার্থীদেরকে যদি বৃক্ষ রোপনে উদ্বুদ্ধ করতেন, তাহলে আমাদের Tree for Mankind এর স্বপ্ন আরো বেশি বেগবান হবে।


স্যার আপনার লেখনী দ্বারাই আমাদের কৈশোরের স্বপ্নগুলো আন্দোলিত হতো, আজো আপনার লেখা পড়েই নতুন করে স্বপ্ন দেখি। তাই আমরা বিশ্বাস করি এ প্রজন্ম ও ভালোকিছুর স্বপ্ন দেখবে আপনার হাত ধরে।
ধন্যবাদ স্যার এভাবে যুগ যুগ ধরে আমাদের ও আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের অনুপ্রেরণা হয়েছেন বলে।
অনেক ভালো থাকুন আপনি। আপনার সুস্থতা আর দীর্ঘায়ু কামনা করছি।



Thursday, January 16, 2020

ইত্যাদির কাছে আমাদের চিঠি



সৃষ্টিলগ্ন থেকেই দেশে এবং দেশের বাইরে “ইত্যাদি” অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি অনুষ্ঠান। যদিও অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার সময় লেখা থাকে এটি একটি “বিনোদন মূলক অনুষ্ঠান” কিন্তু এখানে শিক্ষনীয় ও সচেতনতামূলক অনেক বিষয় থাকে সবসময়, অত্যন্ত সুন্দর ভাবে তুলে ধরা হয় সেগুলি। যেমন ধরা যাক “আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে পর্ব”। এখানে আমন্ত্রিত অতিথিদের নির্বাচনে যে প্রশ্নগুলি করা হয় তাতে অনেক কিছু জানা যায়। এরপর তাদের নিয়ে যে পর্বটুকু থাকে সেখানেও ইতিহাস ও সংস্কৃতির একটা ব্যাপার থাকে। এরপর যখন পুরস্কারের ব্যপারটা আসে তখন দেখা যায় বিভিন্ন পুরস্কারের সাথে “মহামূল্যবান বই” এবং “পরিবেশ বান্ধব গাছ” দেয়া হয়।

আজকে ইত্যাদির কাছে আমাদের চিঠি লেখার উদ্দেশ্য এই “পরিবেশ বান্ধব গাছ” নিয়েই। পরিবেশ সচেতন অনেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে বা সাংগঠনিক ভাবে গাছ লাগাচ্ছেন। কিন্তু এই গাছ গুলি আসলে সবই পরিবেশ বান্ধব হয় না।

আমরা পরিবেশের জন্যে ক্ষতিকর(যেমনঃ আকাশমণি, ইউক্যালিপটাস) কোন গাছ দেই না। আমাদের প্রথম পছন্দ ঔষধি গাছ, তারপর ফলদ, এরপর বনজ। আর এই গাছগুলি আমরা দেই স্কুলের বাচ্চাদের(৩য় থেকে ৮ম/৯ম শ্রেণী)। তারা সবাই ১ টা করে গাছের মালিক। ঐটার দেখাশোনা করা, যত্ন নেয়ার দায়িত্ব তাদের – এটা জানার পর খুব খুশি হয়ে, আগ্রহ নিয়ে তারা গাছের চারাগুলি নেয়। আমরা গত তিন বছরের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি স্কুলের বাচ্চাদের গাছ উপহার দিলে সেই গাছের টিকে থাকার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

আমাদের দেশে প্রতিটা শ্রেণীতে গড়ে কমবেশি ২০-২২ লক্ষ বাচ্চা পড়াশোনা করে। সে হিসেবে ৩য় থেকে ৮ম শ্রেণীর বাচ্চাদের দিয়ে একসাথে ১ কোটি গাছ লাগানো সম্ভব। আর এটা প্রতি বছরই জাতীয় শিশু দিবসে (বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন) করা যায়। আমরা গাছ সংগ্রহ করি মূলত বন বিভাগ থেকে, যার মূল্য মাত্র ৫ টাকা, যাতায়াত সহ আমাদের গাছ প্রতি খরচ হয় ৮ টাকা। অর্থাৎ সরকার চাইলে ৮ কোটি টাকা খরচ করেই ১ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিতে পারেন।

ইত্যাদির মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বন ও পরিবেশ মন্ত্রনালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয় এর কাছে আবেদন জানাচ্ছি বাচ্চাদের মাধ্যমে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায় কিনা বিবেচনা করে দেখার জন্য।