Planted 23,800 Trees....Mission to plant 1 Lac Trees

Friday, January 17, 2020

শ্রদ্ধেয় জাফর ইকবাল স্যারের কাছে একটি অনুরোধ


শ্রদ্ধেয় প্রিয় স্যার,


সালাম নিবেন। প্রথমেই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে চাই আপনার শত ব্যস্ততার মাঝেও আমার এই লেখাটা পড়ছেন বলে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন কখনো বলার সাহস পাইনি - আপনি আমার প্রিয় মানুষদের মাঝে অন্যতম একজন। আপনার ছাত্র হতে পেরে যে গৌরববোধ করি তা আমৃত্যু আমার চলার পাথেয়।

আজকে বিশেষ একটি উদ্দেশ্য নিয়েই আপনাকে লিখছি স্যার। আপনি জেনে খুশি হবেন আমরা কয়েকজন বন্ধু ও সহকর্মী মিলে ২০১৭ সাল থেকে Tree for Mankind নামে একটি সংগঠন পরিচালনা করছি। আমাদের এ সংগঠন বাংলাদেশ বন বিভাগ থেকে ফলজ বনজ ও ওষধি গাছের চারা সংগ্রহ করে বিভিন্ন জেলার স্কুলের শিক্ষার্থীদের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দিই। এখন পর্যন্ত আমরা ৪৩ টি স্কুলের ২৩,৮০০ জন শিক্ষার্থীর হাতে ২৩,৮০০ টি গাছের চারা উপহার দিতে সমর্থ হয়েছি। আমরা স্বপ্ন দেখি এই Tree for Mankind সারাদেশে এক সময় এক কোটি গাছের চারা রোপণ করবে এবং তা হবে বিভিন্ন স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাত ধরে। আমরা বিশ্বাস করি একজন শিক্ষার্থীকে তার শৈশবে যদি বৃক্ষ রোপনে উদ্বুদ্ধ করা যায় তবে তার হাতে তুলে দেয়া গাছটির প্রতি সে বিশেষ যত্ন নিবে এবং এক সময় তার বেড়ে উঠার সাথে সাথে সেই গাছটিও বেড়ে উঠবে। আর তখনই আমাদের এই প্রচেষ্টা সার্থক হবে।


স্যার আপনার কাছে আমাদের Tree for Mankind এর পক্ষ থেকে একটি অনুরোধ থাকবে, আপনার আগামী কোনো লেখনীতে কিংবা বই মেলায় প্রকাশিতব্য কোনো বইয়ের কোন একটি অংশে আমাদের স্কুলগামী ও কলেজগামী শিক্ষার্থীদেরকে যদি বৃক্ষ রোপনে উদ্বুদ্ধ করতেন, তাহলে আমাদের Tree for Mankind এর স্বপ্ন আরো বেশি বেগবান হবে।


স্যার আপনার লেখনী দ্বারাই আমাদের কৈশোরের স্বপ্নগুলো আন্দোলিত হতো, আজো আপনার লেখা পড়েই নতুন করে স্বপ্ন দেখি। তাই আমরা বিশ্বাস করি এ প্রজন্ম ও ভালোকিছুর স্বপ্ন দেখবে আপনার হাত ধরে।
ধন্যবাদ স্যার এভাবে যুগ যুগ ধরে আমাদের ও আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের অনুপ্রেরণা হয়েছেন বলে।
অনেক ভালো থাকুন আপনি। আপনার সুস্থতা আর দীর্ঘায়ু কামনা করছি।



Thursday, January 16, 2020

ইত্যাদির কাছে আমাদের চিঠি



সৃষ্টিলগ্ন থেকেই দেশে এবং দেশের বাইরে “ইত্যাদি” অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি অনুষ্ঠান। যদিও অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার সময় লেখা থাকে এটি একটি “বিনোদন মূলক অনুষ্ঠান” কিন্তু এখানে শিক্ষনীয় ও সচেতনতামূলক অনেক বিষয় থাকে সবসময়, অত্যন্ত সুন্দর ভাবে তুলে ধরা হয় সেগুলি। যেমন ধরা যাক “আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে পর্ব”। এখানে আমন্ত্রিত অতিথিদের নির্বাচনে যে প্রশ্নগুলি করা হয় তাতে অনেক কিছু জানা যায়। এরপর তাদের নিয়ে যে পর্বটুকু থাকে সেখানেও ইতিহাস ও সংস্কৃতির একটা ব্যাপার থাকে। এরপর যখন পুরস্কারের ব্যপারটা আসে তখন দেখা যায় বিভিন্ন পুরস্কারের সাথে “মহামূল্যবান বই” এবং “পরিবেশ বান্ধব গাছ” দেয়া হয়।

আজকে ইত্যাদির কাছে আমাদের চিঠি লেখার উদ্দেশ্য এই “পরিবেশ বান্ধব গাছ” নিয়েই। পরিবেশ সচেতন অনেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে বা সাংগঠনিক ভাবে গাছ লাগাচ্ছেন। কিন্তু এই গাছ গুলি আসলে সবই পরিবেশ বান্ধব হয় না।

আমরা পরিবেশের জন্যে ক্ষতিকর(যেমনঃ আকাশমণি, ইউক্যালিপটাস) কোন গাছ দেই না। আমাদের প্রথম পছন্দ ঔষধি গাছ, তারপর ফলদ, এরপর বনজ। আর এই গাছগুলি আমরা দেই স্কুলের বাচ্চাদের(৩য় থেকে ৮ম/৯ম শ্রেণী)। তারা সবাই ১ টা করে গাছের মালিক। ঐটার দেখাশোনা করা, যত্ন নেয়ার দায়িত্ব তাদের – এটা জানার পর খুব খুশি হয়ে, আগ্রহ নিয়ে তারা গাছের চারাগুলি নেয়। আমরা গত তিন বছরের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি স্কুলের বাচ্চাদের গাছ উপহার দিলে সেই গাছের টিকে থাকার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

আমাদের দেশে প্রতিটা শ্রেণীতে গড়ে কমবেশি ২০-২২ লক্ষ বাচ্চা পড়াশোনা করে। সে হিসেবে ৩য় থেকে ৮ম শ্রেণীর বাচ্চাদের দিয়ে একসাথে ১ কোটি গাছ লাগানো সম্ভব। আর এটা প্রতি বছরই জাতীয় শিশু দিবসে (বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন) করা যায়। আমরা গাছ সংগ্রহ করি মূলত বন বিভাগ থেকে, যার মূল্য মাত্র ৫ টাকা, যাতায়াত সহ আমাদের গাছ প্রতি খরচ হয় ৮ টাকা। অর্থাৎ সরকার চাইলে ৮ কোটি টাকা খরচ করেই ১ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিতে পারেন।

ইত্যাদির মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বন ও পরিবেশ মন্ত্রনালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয় এর কাছে আবেদন জানাচ্ছি বাচ্চাদের মাধ্যমে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায় কিনা বিবেচনা করে দেখার জন্য।

Monday, January 13, 2020

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন


আগামী ১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী। 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ উপলক্ষে ২০২০ ও ২০২১ সালকে 'মুজিব বর্ষ' ঘোষণার কথা জানিয়েছেন । 

মুজিব বর্ষ ঘিরে এরই মধ্যে ২৯৬টি পরিকল্পনাসংবলিত একটি মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।  আশা করি এই মহাপরিকল্পনা খুব সুন্দর ভাবেই বাস্তবায়ন হবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ জানাতে চাই, মুজিব বর্ষে এর সাথে আরেকটি ছোট্ট পরিকল্পনা নেওয়া হউক। স্কুলের বাচ্চাদের একটা করে গাছ তুলে দেয়া (সেটা ৩য় শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত হলেই হবে)। আর এতেই সারাদেশে ১ কোটি গাছ লাগানো হয়ে যাবে কারণ গতবছর প্রাথমিক সমাপনি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২৯ লক্ষ, জেএসসিতে সে সংখ্যাটা ছিল ২৬ লক্ষ এবং প্রতি বছর সে সংখ্যা বাড়ছে। যদি ধরি ৬০% শিক্ষার্থী গাছ লাগাতে সম্ভব তবুও সেটা ১ কোটি।
আশার খবর হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ উপকমিটি 'মুজিব বর্ষ' উপলক্ষে সারাদেশে এক কোটি গাছের চারা রোপণ করবে। (সুত্রঃ সমকাল ৭,নভেম্বর ২০১৯)

তবে আমরা গত তিন বছরের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি স্কুলের বাচ্চাদের গাছ উপহার দিলে সেই গাছের টিকে থাকার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। কারণ গাছটির যত্ন স্কুলের বাচ্চাটিই নিবে, তাছাড়া তাদের মধ্যে গাছ লাগানোর একটা অভ্যাস তৈরি হবে। আর এটা প্রতি বছরই বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে (জাতীয় শিশু দিবস) করা সম্ভব। আর আমরা গাছ সংগ্রহ করি মূলত বন বিভাগ থেকে, যার মূল্য মাত্র ৫ টাকা, যাতায়াত সহ আমাদের গাছ প্রতি খরচ হয় ৮ টাকা। অর্থাৎ সরকার চাইলে ৮ কোটি টাকা খরচ করেই ১ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিতে পারেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাই আবেদন জানাচ্ছি বাচ্চাদের মাধ্যমে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায় কিনা বিবেচনা করে দেখার জন্য।


Monday, November 18, 2019

ছাদে সবুজ বিপ্লবের স্বপ্ন


চল্লিশ লাখ মানুষের শহর চট্টগ্রামের দরদালানের ছাদগুলো একসময় সবুজে ভরে উঠবে। ছাদবাগানে ফলবে লাউ, কুমড়া, টমেটো, শাক, শিমসহ নিত্যদিনের আহার্য সব সবজি। গোলাপ, টগর, জুঁই, চামেলিরা ছড়াবে সৌরভ। আম, পেয়ারা, মাল্টাসহ হরেক রকমের বিষমুক্ত ফল হাত বাড়ালেই মিলবে ছাদের বাগানে—এমন স্বপ্ন থেকেই শুরু হয়েছিল ছাদবাগানিদের ফেসবুকভিত্তিক সংগঠন ‘চট্টগ্রাম বাগান পরিবারের’ পথ চলা।

রাজধানীর শৌখিন বাগানিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রথম এমন সংগঠন গড়ে তোলেন। এতে যোগ দেন চট্টগ্রামের বেশ কয়েকজন বাগানি। সেখানে পরিচয়ের সূত্র ধরে এখানকার বাগানিরা অনলাইনে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তোলেন। ২০১৭ সালের ৩ মার্চ তাঁরা মিলে শুরু করেন ফেসবুকভিত্তিক নতুন সংগঠন চট্টগ্রাম বাগান পরিবার।

বাগান-সংক্রান্ত নানা পরামর্শের জন্য দ্রুতই চট্টগ্রামের ছাদবাগানিরা এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন। শুরুর পর ছয় মাসের মাথায় সংগঠনের সদস্যসংখ্যা দাঁড়ায় ৫০০তে। আর দুই বছর পর বর্তমানে সংগঠনের সদস্যসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজারে। ছাদবাগানিদের নিয়ে বৃক্ষমেলা, গাছের চারা বিনিময় ও গাছ–সংক্রান্ত নানা পরামর্শ বিতরণ করে বাগান পরিবার।

কথা হয় সংগঠনটির অন্যতম অ্যাডমিন জিয়াউল বারীর সঙ্গে। পেশায় ব্যবসায়ী জিয়াউল নিজেও বাগান করেন। শহরের ঈদগাঁ বউবাজারে তাঁর ছাদের বাগানে রয়েছে হরেক রকমের দেশি-বিদেশি সবজি, ফল ও ফুল।  

জিয়াউল বারী জানালেন, তিনিসহ বর্তমানে সংগঠনের অ্যাডমিন ও মডারেটর আছেন ১৪ জন।

প্রতিবছর তিন থেকে চারটি অনুষ্ঠানের (ইভেন্ট) আয়োজন করে বাগান পরিবার। ইভেন্টগুলোতে সংগঠনের সদস্যরা এক হন। এসব অনুষ্ঠান আসলে একধরনের মিলনমেলা। সেখানে গাছ বিনিময়, চারা ও সার বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া বাগান নিয়ে আলোচনা সভা, সেমিনার তো আছেই। এসবের পাশাপাশি বাগান বিলাস নামের পত্রিকাও প্রকাশ করছেন তাঁরা। এখন পর্যন্ত এর দুটি সংখ্যা বের হয়েছে।

চট্টগ্রাম বাগান পরিবার খুব জমজমাট একটি ফেসবুক গ্রুপ। এর সদস্যদের নিয়ে নিয়মিত মাসব্যাপী প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় বলে জানালেন জিয়াউল।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সদস্যরা প্রতিদিন ন্যূনতম বাগানের তিনটি ফুল-ফলের ছবি দেন গ্রুপে। এভাবে সর্বোচ্চ ছবি দেওয়া বাগানিরা সেরার তালিকায় উঠে আসেন। এসব প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে সদস্যরা একে অপরের বাগানের দৈনন্দিন চিত্র জেনে যান। এর ফলে বাগানিদের মধ্যে বাগান নিয়ে উৎসাহটা বাড়ে।

চট্টগ্রামে ছাদবাগান বা ছাদকৃষি সম্পর্কে কৃষি বিভাগের কোনো হালনাগাদ তথ্য নেই। তবে চট্টগ্রাম বাগান পরিবার এখন নিজেরাই এসব তথ্য জোগাড়ের চেষ্টা করছে। সংগঠনের ২২ হাজার সদস্যের মধ্যে ৫ হাজার সদস্য নিজের ছাদে বাগান করেছেন। এই পাঁচ হাজার ছাদবাগানির সবজি ও ফলের বড় একটা চাহিদা মেটান নিজের বাগান থেকে।

ছাদবাগান থেকে একটি পরিবার ঠিক কতটুকু খাবারের জোগান পেতে পারে, জানতে চাইলে জিয়াউল বারী বলেন, মোটামুটি ছোট আকারের একটি ছাদবাগান থেকেও প্রতিদিনকার খাওয়ার মতো শাকসবজি পাওয়া যায়। এ ছাড়া মৌসুমে পাওয়া যায় নানা ধরনের ফল। সারা বছরই ছাদবাগান থেকে কিছু না কিছু প্রাপ্তিযোগ হয় বলে তিনি জানান। জানা গেল, শাকসবজি একেবারেই বাজার থেকে কিনতে হয় না, চট্টগ্রাম বাগান পরিবারে এমন বাগানির সংখ্যা কম করে হলেও ২০০।

ছাদবাগান করতে কত বড় ছাদ প্রয়োজন, কীভাবেই–বা শুরু করতে পারেন নতুন বাগানিরা? জানতে চাইলে জিয়াউল বারী বলেন, মোটামুটি রোদ পড়ে এমন ৮০০ থেকে ৯০০ বর্গফুটের ছাদ হলেও ভালো বাগান করা সম্ভব।

জিয়াউলের কাছ থেকে জানা গেল, একসময় প্যাশন, ড্রাগন, পারসিমন, পিচ, কমলা, আপেল বা আঙুর ছাদবাগানে দেখা যেত না। এসব বিদেশি ফল এখন দেশি ফলের সঙ্গে ভালোভাবেই ছাদবাগানে ফলছে।

কথা হয় চট্টগ্রাম বাগান পরিবারের সদস্য গৃহিণী আয়শা আক্তারের (৬০) সঙ্গে, দশ বছর ধরে ছাদবাগান করছেন তিনি। নগরের ফয়’স লেকের লেকভ্যালী আবাসিক এলাকায় প্রায় সাড়ে চার গন্ডা জায়গার ওপর করা একতলা বাড়ির ছাদে গড়ে তুলেছেন ফুল, ফল ও সবজির বাগান।
আয়শা আক্তার বলেন, এই বয়সে অনেকে রোগে–শোকে কাতর থাকেন। কিন্তু বাগানের পেছনে সময় দেওয়ায় তাঁর শরীর অনেকটাই ভালো।


আয়শা আক্তারের বাড়ির পঞ্চাশ গজের মধ্যেই ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান ও আসমা হাবীব ফেরিন দম্পতির চারতলা বাড়ি। দুজনেই বাগান পরিবারের সদস্য। ২০ বছর ধরে তাঁরা বাগান করছেন। আর ছাদবাগানে ফল ও সবজির চাষ অর্থাৎ ছাদকৃষি করছেন পাঁচ বছর ধরে। ছাদবাগানে বেশির ভাগ সময় দেন আসমা হাবীব। মূলত বাগানটি তাঁর নিজের হাতে গড়া। সম্প্রতি তাঁদের ছাদবাগানে গিয়ে দেখা গেল, লাউ, টমেটো, শাকসহ হরেক রকমের সবজির ছড়াছড়ি। গোলাপ, টগর, স্থল পদ্মসহ জানা–অজানা ফুলের সংখ্যাও কম নয়। আছে মাল্টা, কমলা, পেয়ারা, কলাসহ দেশি–বিদেশি নানা জাতের ফল।

হাবিবুর রহমান জানালেন, প্রায় ২০০ প্রজাতির গাছ রয়েছে তাঁদের ছাদবাগানে। প্রতিদিনের সবজির চাহিদার একটা বড় অংশ আসে নিজেদের বাগান থেকে।