Planted 39,850 Trees....Mission to plant 1 Lac Trees
Sunday, March 19, 2017
ভালো হয় যদি গাছ লাগানোর উৎসবের দিন আপনি উপস্থিত থাকেন
খুশির ব্যপার যে আমরা অল্প কয় দিনেই facebook.com\treeformankind এ ৬০জন সদস্য হয়ে গেছি। আমরা মোট ৩০০ টি গাছের চারা লাগিয়েছি। অর্থাৎ জনপ্রতি ৫টি গাছ লাগানো হয়েছে বলা যেতে পারে। আমরা চাই আপনিও বলুন আমরা ৩০০ টি গাছ লাগিয়েছি কিংবা বলুন আপনি ৫ টি গাছ লাগিয়েছেন। O2(Tree for Mankind) যা গাছ লাগাবে সবটাই আপনাদের অবদান হিসেবে গুনবে সবসময়। কারন আপনি হয়তো নিজে গাছ লাগাচ্ছেন না, কিন্তু আপনি তো আমাদেরকে সাপোর্ট করছেন বলেই এই প্রজেক্টের একজন সদস্য।
আপনাদেরকে কখনোই বলবো না আপনি নিজের টাকা খরচ করে গাছ লাগাতে(Tree for Mankind এর কার্যকরী সদস্যরাই আপনাদের গাছ সরবরাহ করবে) কিন্তু আপনাদের কাছে আমরা একটা অনুরোধ করবো । কি সেটা ??
আপনাদের হয়তো এক বছরে আধা বেলা সময় নিবো, এই টুকু সাহায্য আমরা আবেদন করছি।কারন আমরা আমাদের প্রজেক্ট টা বাস্তবায়ন করবো প্রধানত স্কুলের বাচ্চাদের গাছ দেওয়ার মাধ্যমে।
এর প্রধান কারন হচ্ছে একজন মানুষের জন্য একটি গাছের যত্ন নেয়া খুব বেশী কষ্টের কাজ না। গাছ গুলোকে লাগানোর পর বাচিয়ে রাখতে এটা খুব ভালো একটা উপায় (আপনারা চাইলে আমাদেরকে আরও ভালো উপদেশ দিয়েও সাহায্য করতে পারেন)।
আপনাদের সাহায্য টা লাগবে এই কারনেই, আপনারা আপনাদের মূল্যবান সময় থেকে অল্প একটু সময় যদি দেন তাহলেই আমরা আমাদের লক্ষ্য (১ লক্ষ গাছ) সহজেই পুরন করতে পারবো। আপনারা শুধু আপনাদের এলাকার কিংবা গ্রামের বাড়ির স্কুলের সাথে যোগাযোগ টা করতে আমাদের সাহায্য করবেন। আরও ভালো হয় যদি গাছ লাগানোর উৎসবের দিন যদি আপনি উপস্থিত থাকেন (উৎসব বললাম কারন বাচ্চাদের সাথে সময় কাটানো খুব মজার হয় সবসময়)।
আপনাদের যা করতে হবেঃ
বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে যেকোনো স্কুলে (আপনার নিজের গ্রামে/আপনার কোন আত্মীয় এর গ্রামে) আপনি কষ্ট করে যোগাযোগ করে বলবেন যে আমরা স্কুলের সব বাচ্চাকে একটি করে গাছ দিবো, যদি স্কুল মাঠে গাছ লাগানোর জায়গা থাকে সেখানেও দিবো (এমনকি গ্রামের রাস্তা ঘাটে লাগানোর জন্য ও গাছ সরবরাহ করবো)। আপনি স্কুলের সাথে আমাদেরকেও যোগাযোগ করিয়ে দিতে পারেন, আমরা নির্দিষ্ট দিনে যতো গুলো গাছ প্রয়োজন ততোগুলো গাছ নিয়ে উপস্থিত হয়ে যাবো । খুব ভালো হয় যদি আমাদের সাথে আপনিও উপস্থিত থাকেন যেহেতু আপনার গ্রামের/এলাকার স্কুল।
আপনাদেরকে কখনোই বলবো না আপনি নিজের টাকা খরচ করে গাছ লাগাতে(Tree for Mankind এর কার্যকরী সদস্যরাই আপনাদের গাছ সরবরাহ করবে) কিন্তু আপনাদের কাছে আমরা একটা অনুরোধ করবো । কি সেটা ??
আপনাদের হয়তো এক বছরে আধা বেলা সময় নিবো, এই টুকু সাহায্য আমরা আবেদন করছি।কারন আমরা আমাদের প্রজেক্ট টা বাস্তবায়ন করবো প্রধানত স্কুলের বাচ্চাদের গাছ দেওয়ার মাধ্যমে।
এর প্রধান কারন হচ্ছে একজন মানুষের জন্য একটি গাছের যত্ন নেয়া খুব বেশী কষ্টের কাজ না। গাছ গুলোকে লাগানোর পর বাচিয়ে রাখতে এটা খুব ভালো একটা উপায় (আপনারা চাইলে আমাদেরকে আরও ভালো উপদেশ দিয়েও সাহায্য করতে পারেন)।
আপনাদের সাহায্য টা লাগবে এই কারনেই, আপনারা আপনাদের মূল্যবান সময় থেকে অল্প একটু সময় যদি দেন তাহলেই আমরা আমাদের লক্ষ্য (১ লক্ষ গাছ) সহজেই পুরন করতে পারবো। আপনারা শুধু আপনাদের এলাকার কিংবা গ্রামের বাড়ির স্কুলের সাথে যোগাযোগ টা করতে আমাদের সাহায্য করবেন। আরও ভালো হয় যদি গাছ লাগানোর উৎসবের দিন যদি আপনি উপস্থিত থাকেন (উৎসব বললাম কারন বাচ্চাদের সাথে সময় কাটানো খুব মজার হয় সবসময়)।
আপনাদের যা করতে হবেঃ
বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে যেকোনো স্কুলে (আপনার নিজের গ্রামে/আপনার কোন আত্মীয় এর গ্রামে) আপনি কষ্ট করে যোগাযোগ করে বলবেন যে আমরা স্কুলের সব বাচ্চাকে একটি করে গাছ দিবো, যদি স্কুল মাঠে গাছ লাগানোর জায়গা থাকে সেখানেও দিবো (এমনকি গ্রামের রাস্তা ঘাটে লাগানোর জন্য ও গাছ সরবরাহ করবো)। আপনি স্কুলের সাথে আমাদেরকেও যোগাযোগ করিয়ে দিতে পারেন, আমরা নির্দিষ্ট দিনে যতো গুলো গাছ প্রয়োজন ততোগুলো গাছ নিয়ে উপস্থিত হয়ে যাবো । খুব ভালো হয় যদি আমাদের সাথে আপনিও উপস্থিত থাকেন যেহেতু আপনার গ্রামের/এলাকার স্কুল।
Saturday, March 18, 2017
Green Belt Movement
Founded in 1977 by Professor Wangari Maathai, the Green Belt Movement
(GBM) has planted over 51 million trees in Kenya. GBM works at the
grassroots, national, and international levels to promote environmental
conservation; to build climate resilience and empower communities,
especially women and girls; to foster democratic space and sustainable
livelihoods.
Wangari Maathai (Planted over 30Million Trees)
Wangari Maathai was the first African woman to receive the Nobel Peace Prize(2004).
She was also the first female scholar from East and Central Africa to take a doctorate (in biology)
First female professor ever in her home country of Kenya.
Maathai played an active part in the struggle for democracy in Kenya, and belonged to the opposition to Daniel arap Moi's regime.
In 1977 she started a grass-roots movement aimed at countering the deforestation that was threatening the means of subsistence of the agricultural population. The campaign encouraged women to plant trees in their local environments and to think ecologically.
The so-called Green Belt Movement spread to other African countries, and contributed to the planting of over thirty million trees.
Maathai's mobilisation of African women was not limited in its vision to work for sustainable development; she saw tree-planting in a broader perspective which included democracy, women's rights, and international solidarity.
In the words of the Nobel Committee: "She thinks globally and acts locally."
Source: http://maybenotknown.blogspot.com/2016/12/wangari-maathai.html
She was also the first female scholar from East and Central Africa to take a doctorate (in biology)
First female professor ever in her home country of Kenya.
Maathai played an active part in the struggle for democracy in Kenya, and belonged to the opposition to Daniel arap Moi's regime.
In 1977 she started a grass-roots movement aimed at countering the deforestation that was threatening the means of subsistence of the agricultural population. The campaign encouraged women to plant trees in their local environments and to think ecologically.
The so-called Green Belt Movement spread to other African countries, and contributed to the planting of over thirty million trees.
Maathai's mobilisation of African women was not limited in its vision to work for sustainable development; she saw tree-planting in a broader perspective which included democracy, women's rights, and international solidarity.
In the words of the Nobel Committee: "She thinks globally and acts locally."
Source: http://maybenotknown.blogspot.com/2016/12/wangari-maathai.html
Friday, March 17, 2017
বৃক্ষপ্রেমিক আতাউল গনি
চলনবিলের বৃক্ষপ্রেমিক আতাউল গনি। ২০০৫ থেকে ১১ বছরের নীরব সাধনায় মহাসড়ক,
খালের পাড়, গ্রামের কাঁচা মেঠোপথের দুধারে বনায়ন এবং স্বেচ্ছায় গোরস্তান,
শ্মশান, বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে ৫০
হাজারের বেশি চারা বিতরণ করেন তিনি। নিজ উপজেলা সিংড়ার চলনবিলসহ নাটোরের
বিভিন্ন এলাকা ও রাজশাহী জেলাধীন গোদাগাড়ী উপজেলা পিরিজপুর ইউপি’র পিরিজপুর
থেকে হিজলগাছি হয়ে চানগোবিন্দপুর পর্যন্ত ৩.৫ কিমি.সহ মোট প্রায় ৩০ কিমি.
ধরে ফলদ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষে পূর্ণ সবুজের সমাহার সৃজনে আতাউল গনি হয়ে
উঠেছেন সফল বৃক্ষসখা। আতাউল গনির বাড়ি উপজেলার চৌগ্রামে।
নাটোর-বগুড়া মহাসড়কে রাস্তার উভয় পাশে সবুজের অফুরন্ত সমাহার চোখে পড়ার
মতো। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিয়ালা ব্রিজ থেকে চৌগ্রাম বাজার ব্রিজ পর্যন্ত ৫
কিমি. মহাসড়কের উভয় পাশে চৌগ্রাম মুচিপাড়া থেকে বড়িয়া হয়ে ইটালী পর্যন্ত
প্রায় ৭ কিমি. রাস্তার উভয় পাশে, নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের কৈগ্রাম হতে
সিঁকিচড়া ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৩ কিমি. কাঁচা রাস্তার উভয় পাশে, সিংড়া
উপজেলার ১০নং ইউপি’র নিমাকদমা থেকে সোয়াইর গ্রাম স্কুল পর্যন্ত ৩ কিমি. সহ
তার এখন ১১টি প্রতিষ্ঠিত বাগান রয়েছে।
এছাড়াও
চলতি বছর বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের হিয়ালা ব্রিজ থেকে চৌগ্রাম লালঘর ব্রিজ এবং
চৌগ্রাম রথবাড়ি থেকে জামতলি বাজার পর্যন্ত ১২ হাজারসহ নিমাকদমা, বড়িয়া,
চৌগ্রাম, নাটোর সদরের শের-ই বাংলা হাইস্কুলসহ বিভিন্ন জায়গার গোরস্তান,
শ্মশান, বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক প্রতিষ্ঠানে নিজ উদ্যোগে ও
ব্যক্তিগত সহায়তায় বৃক্ষের সমাহার ঘটিয়েছেন।
সাবেক সিংড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল
হোসেন বলেন, আমরা আনন্দিত। আতাউল গনি পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগিয়ে যাচ্ছেন।
তার এ উদ্যোগ মানব জাতি, প্রকৃতি এবং বিশ্ব প্রাণিকুলের জন্য কল্যাণকর।
চৌগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক শ্রী কৃষ্ণপদ কর্মকার
বলেন, বৃক্ষসখার নিরলস পরিশ্রমে সবুজ গড়ার কারিগরের গাছ প্রায় লক্ষের
কোটায়।
এম. কে কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, আমি বৃক্ষসখার গাছ লাগানোর
শুরু থেকে আজ পর্যন্ত তাকে যতই দেখছি অবাক হচ্ছি। প্রায় অসাধ্য অথচ মহৎ এক
কাজ করে চলেছেন তিনি।
উপজেলা বন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ জানান, আতাউল গনি একজন সফল বনায়নকারী। এর
মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় অবদান রেখে আসছেন তিনি। পরিবেশ উন্নয়ন প্রকৃতি
সংরক্ষণ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ বলেন, বৃক্ষ ও পরিবেশের প্রতি
তার মমত্ববোধ রয়েছে। এজন্য তিনি উপজেলাসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ করে
যাচ্ছেন।
Wednesday, March 15, 2017
গাছ পাগল কয়েকজন
গাছ পাগল কয়েকজন মানুষকে আমাদের সালাম ও শ্রদ্ধা
আব্দুল সামাদ শেখ
কার্তিক পরামানিক
মঞ্জিল মিয়া
মো. সামছুল ইসলাম
![]() |
গত ৪৮ বছর ধরে প্রতিদিন একটি করে গাছ লাগিয়েছেন
|
![]() |
মো. সামছুল ইসলাম -পেশা শিক্ষকতা, নেশা বৃক্ষরোপণ |
![]() |
কার্তিক পরামানিক:একজন সবুজ মানুষ
|
আব্দুল সামাদ শেখ
কার্তিক পরামানিক
মঞ্জিল মিয়া
মো. সামছুল ইসলাম
Monday, March 13, 2017
সহজ অঙ্ক
প্রতি বছর একটি গাছ লাগানো কারো জন্যই খুব কষ্টকর হবার কথা না, তবে কেউ যদি মন থেকে ব্যপারটা অপছন্দ করে সেটা আলাদা ব্যপার। কিংবা কেউ ভাবতে পারে এটা একটা ফালতু কাজ, কিংবা পাগলামি কিংবা কি হবে একটি গাছ লাগিয়ে। যদি এটা ভেবে থাকেন তাহলে বাকি টুকু আর কষ্ট করে পড়ার ও দরকার নাই।
আমাদের পেজ এর সদস্য সংখ্যা ৫০জন। গড় বয়স ২৫ এর বেশী (৩০ বছর)। আমরা যদি এই বছর(২০১৭) প্রত্যেকে একটি করে গাছ লাগাই তাহলে ৫০ টি গাছ লাগানো হয়ে যাবে খুব সহজেই। এখন ভাবুন আমাদের বয়স ২৫/৩০ বছর, সেই হিসেবে আমাদের ৩০ টি গাছ বাকি রয়ে গেলো, একটু কষ্ট করে যদি প্রত্যেকে ৩০ টি(নিজেদের বয়সের পরিমান) করে গাছ লাগাই তাহলে আমাদের গাছ হচ্ছে ১৫০০ টি। যদি আপনাদের বিরক্ত না লাগে আরেকটু হিসাব দিতে চাচ্ছি।
আমাদের আম্মা আব্বার বয়স মোটামুটি ৫৫ এবং ৬০ বছর এর কাছাকাছি। আমরা যদি আমাদের সাথে আমাদের আম্মা-আব্বার বয়স যোগ করি আমাদের মোট বয়স দাড়ায় ৩০+৫৫+৬০=১৪৫ বছর। এখন ভাবুন তো আমরা মাত্র ৫০জনের ছোট্ট একটা পরিবারের মোট বয়স কত?
হ্যাঁ ৫০*১৪৫=৭২৫০ বছর। বিশাল একটা সংখ্যা গাছের ক্ষেত্রে। (মাস হিসেবে করলে সংখ্যাটা ৮৭০০০ যা আমাদের ১লক্ষ গাছের টার্গেটের কাছাকাছি 😊
আমরা ইতিমধ্যে ৩০০ গাছের চারা লাগিয়েছি। আগামী ৪মাসের মধ্যে ইনশাল্লাহ বগুড়া, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও কিশোরগঞ্জে কমপক্ষে ১২০০ গাছ রোপণ করবো।
আমাদের ২০১৭ সালের লক্ষ মাত্র ৫০০০ টি গাছ। সবাই মিলে করলে খুবই সহজ একটি কাজ।
আমাদের পেজ এর সদস্য সংখ্যা ৫০জন। গড় বয়স ২৫ এর বেশী (৩০ বছর)। আমরা যদি এই বছর(২০১৭) প্রত্যেকে একটি করে গাছ লাগাই তাহলে ৫০ টি গাছ লাগানো হয়ে যাবে খুব সহজেই। এখন ভাবুন আমাদের বয়স ২৫/৩০ বছর, সেই হিসেবে আমাদের ৩০ টি গাছ বাকি রয়ে গেলো, একটু কষ্ট করে যদি প্রত্যেকে ৩০ টি(নিজেদের বয়সের পরিমান) করে গাছ লাগাই তাহলে আমাদের গাছ হচ্ছে ১৫০০ টি। যদি আপনাদের বিরক্ত না লাগে আরেকটু হিসাব দিতে চাচ্ছি।
আমাদের আম্মা আব্বার বয়স মোটামুটি ৫৫ এবং ৬০ বছর এর কাছাকাছি। আমরা যদি আমাদের সাথে আমাদের আম্মা-আব্বার বয়স যোগ করি আমাদের মোট বয়স দাড়ায় ৩০+৫৫+৬০=১৪৫ বছর। এখন ভাবুন তো আমরা মাত্র ৫০জনের ছোট্ট একটা পরিবারের মোট বয়স কত?
হ্যাঁ ৫০*১৪৫=৭২৫০ বছর। বিশাল একটা সংখ্যা গাছের ক্ষেত্রে। (মাস হিসেবে করলে সংখ্যাটা ৮৭০০০ যা আমাদের ১লক্ষ গাছের টার্গেটের কাছাকাছি 😊
আমরা ইতিমধ্যে ৩০০ গাছের চারা লাগিয়েছি। আগামী ৪মাসের মধ্যে ইনশাল্লাহ বগুড়া, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও কিশোরগঞ্জে কমপক্ষে ১২০০ গাছ রোপণ করবো।
আমাদের ২০১৭ সালের লক্ষ মাত্র ৫০০০ টি গাছ। সবাই মিলে করলে খুবই সহজ একটি কাজ।
Subscribe to:
Posts (Atom)










