Planted 39,850 Trees....Mission to plant 1 Lac Trees
Showing posts with label Do You Know?. Show all posts
Showing posts with label Do You Know?. Show all posts

Wednesday, March 14, 2018

ডিজেল গাছ

Diesel Tree


ডিজেল গাছ বা কেরোসিন গাছ (বৈজ্ঞানিক নাম: Copaifera langsdorffii) হচ্ছে উষ্ণমণ্ডলীয় বৃষ্টিবনের গাছ। ব্রাজিলের স্থানীয় ভাষায় গাছটাকে কুবাই, কেবিসমো বিভিন্ন নামে ডাকা হয়। এই গাছ সাধারণত ২৫ থেকে ৪০ ফুট লম্বা হতে পারে। এই গাছে সাদা রংয়ের আকর্ষনীয় ফুল ও তৈলাক্ত ফল ধরে।


রাবার গাছের মতো করেই এই গাছের গায়ে ছিদ্র করে রস বের করা হয়, যা ডিজেলের বিকল্প বায়োডিজেল হিসাবে ব্যবহার করা যায়, সেই তেল দিয়ে রীতিমত গাড়িও চালানো যায়, এটা এতই বিশুদ্ধ যে খনিজ তেলের মত পরিশোধনেরও প্রয়োজন হয় না। তেল দেয়ার উপযোগী হতে গাছগুলোকে প্রায় ১৫ বছরের মত সময় লাগে এবং প্রতিটি পূর্ণবয়স্ক গাছ বছরে ৩০ থেকে ৪০ লিটার তেল উৎপাদন করতে পারে। অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বাণিজ্যিকভাবে এই গাছের চাষ ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে।

More About Diesel Tree


Tuesday, March 6, 2018

Did You Know??


Hospital patients who have a view of trees heal faster, use fewer pain medications, and leave the hospital sooner than patients with a view of a brick wall. 

Patients with a view of trees spend 8 percent fewer days in the hospital. 



Tuesday, January 30, 2018

Think twice before you print something!



It takes 3 tons of wood to produce 1 ton of copy paper.

Production of 1 ton of copy paper produces 19,075 gallons of waste water

122ml of water for 1 sheet of A4 size paper.

Think twice before you print something! Don't forget that the planet where we live is not made only for humans. Stop the timber companies cutting down thousands of trees, just because your company is used to work with paper forms.





References:

1. Going Green Today
2. Kids Go Green
3. World Resources Institute Earthtrends data
4. Intergovernmental Panel on Climate Change, Assessment Report 2007
5. Lovins, Hunter L., Lovins, Amory & Hawken, Paul ‘Natural Capitalism.’ Little Brown & Co., 2008. Quoting Liedtke C., Material Intensity of Paper and Board Production in Western Europe. Fresenius Environmental Bulletin, August 1993.
6. Taevs, Debra. Recycling’s Pushed ‘Reduce, Reuse’ Out of Equation. Portland Metro Sustainable Industries Journal, June 2005. OECD Environmental Outlook
7. Guardian
8. WWF Living Forests Report
9. State of the World’s Forests, 2012.
10. Environmental Paper Network (2007)
11. Environmental Paper Network (2011)

Wednesday, November 15, 2017

বৃক্ষমাতা ওয়াঙ্গারি নেই, আছে তাঁর কোটি গাছ

কেনিয়ার প্রখ্যাত পরিবেশবিদ ও নারী আন্দোলনের কর্মী ওয়াঙ্গারি মাথাইয়ের মৃত্যুর খবর ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১১ প্রচারিত হওয়ার পর সারা বিশ্বে শোক নেমে আসে। ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ৭১ বছর বয়সে এই মৃত্যু ঘটলেও তাঁর মতো একজন মানুষের জন্য এটা অকালমৃত্যুই বলা যায়। কারণ, তাঁর এখনো অনেক কাজ করার ছিল। তাঁর কাজের গুরুত্ব সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে।
কঠিন সমস্যার সহজ সমাধান কী করে করা যায়, তা ওয়াঙ্গারি মাথাই করে দেখিয়েছেন। ১৯৭৬ সালে তিনি যখন কেনিয়ার জাতীয় নারী পরিষদে (ন্যাশনাল কাউন্সিল অব উইমেন) ছিলেন, তখন থেকেই তাঁর মাথায় সামাজিকভাবে গাছ লাগানোর চিন্তা এসেছিল। বিদেশে লেখাপড়া করে ডক্টরেট ডিগ্রিধারী হলেও কেনিয়ার গ্রামেই তাঁর বেড়ে ওঠা, প্রকৃতিকে খুব কাছ থেকেই তিনি দেখেছেন। মাটির গন্ধ তাঁর কাছ থেকে যায়নি। পড়াশোনাও করেছেন প্রাণিবিদ্যা নিয়ে। অধ্যাপনার পাশাপাশি কেনিয়ার নির্যাতিত নারীদের জন্য কাজ করছিলেন। এই সময় তিনি দেখলেন কৃষকদের ফসল উৎপাদন থেকে বিরত রেখে রপ্তানির জন্য অর্থকরী ফসল চা কফি উৎপাদন করতে দ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। বন উজাড় করে চা-কফির উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। এতে কৃষক খাদ্য উৎপাদন করতে পারছে না। নারীরা এতে খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং শিশুরা অপুষ্টিতে ভুগছে। মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়ে গেছে, গবাদিপশুর খাদ্য নেই, রান্নার জন্য খড়ি নেই, খাওয়ার জন্য পানি নেই। এত ব্যাপক সমস্যার একটি সহজ সমাধান বের করলেন ওয়াঙ্গারি: গাছ লাগানো। গাছ খাদ্য দেবে, গাছ রান্নার খড়ি দেবে; গাছের মাধ্যমেই মিলবে এই বড় সমস্যার সমাধান।
একপর্যায়ে গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট প্রতিষ্ঠা করে গ্রামীণ নারীদের জীবন-জীবিকার জন্য গাছ লাগানো, পরিষ্কার পানির ব্যবস্থা করা, রান্নার জন্য খড়ির ব্যবস্থা করার মতো সহজ কিন্তু অতি জরুরি কাজটি ওয়াঙ্গারি করেছিলেন। তাঁর এই আন্দোলনের মাধ্যমে কেনিয়াতে সাড়ে চার কোটি গাছ লাগানো হয়, প্রায় নয় লাখ নারী চারার নার্সারি করে, গাছ লাগিয়ে মরুময়তা রুখতে পেরেছিলেন, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পেরেছিলেন। শুধু গ্রামীণ নারীদের মাধ্যমেই নয়, গির্জা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও তাঁর গাছ লাগানোর কাজ ছড়িয়ে পড়েছিল। ১৯৮৬ সালে গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট আফ্রিকার অন্যান্য দেশের নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং তানজানিয়া, উগান্ডা, মালাবি, লেসোথো, ইথিওপিয়া, জিম্বাবুয়ে প্রভৃতি দেশও গাছ লাগিয়ে মরুময়তা রোধ করার উদ্যোগ নেয়।
আফ্রিকার এই নারীর মৃত্যুর খবর বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের কর্মী বা পরিবেশ আন্দোলনের কর্মীরা ছাড়া অন্যরা কতখানি তাঁর বিষয়ে অবগত আছেন, তা বোঝার উপায় নেই। পত্রপত্রিকার খবর দেখলেও একটু হতাশ হতে হয়। বিশ্ববিখ্যাত গায়ক মাইকেল জ্যাকসন কিংবা ক্রিকেট খেলোয়াড় নবাব পতৌদির ব্যাপারে যত জানা যায়, ওয়াঙ্গারি সম্পর্কে ততটা নয়। এটা আমাদের জন্য দুঃখজনক। পরিবেশ রক্ষার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন। তিনিই আফ্রিকার প্রথম নোবেলবিজয়ী নারী। এটা গুরুত্বপূর্ণ বটে, কিন্তু তাঁর কাজ এর চেয়েও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। নোবেল পুরস্কারের বেলাতেও কেউ কেউ সমালোচনা করেছিলেন, শুধু গাছ লাগিয়ে কী করে একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতে পারেন! কোটি কোটি গাছ লাগিয়ে যিনি দেশকে ভয়াবহ খরা ও মরুময়তা থেকে রক্ষা করলেন, তার মূল্যায়ন করতেও অনেকের দ্বিধা ছিল।
ওয়াঙ্গারির গাছ লাগানোর কাজ এত ছড়িয়ে গিয়েছিল যে জাতিসংঘ ২০০৬ সালে বিশ্বব্যাপী ১১ বিলিয়ন গাছ লাগানোর কর্মসূচি নেয়। যাঁরা ওয়াঙ্গারির গাছ লাগানোর ব্যস্ততা দেখেছেন, তাঁরা মন্তব্য করতেন, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভিআইপিদের দিয়ে গাছ লাগাতে গিয়ে ওয়াঙ্গারিকে হাঁটু গেড়ে বসে কী করে গাছ লাগাতে হয়, তা দেখাতে হতো। তাই তাঁর হাঁটুতে কাদা লেগেই থাকত।
ওয়াঙ্গারি যেমন গাছ লাগিয়েছেন, তেমনি গাছের ব্যবহারের ক্ষেত্রেও তাঁর মতামত ছিল অনেক স্পষ্ট।
তিনি ২০০৪ সালে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরপরই প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন, মৃত্যুর পর তাঁকে যেন কাঠের কফিনে সমাহিত করা না হয়। তাঁর মতে, কাঠের কফিন বনের জন্য বড় ধরনের হুমকি। তাই ধারণা করা হচ্ছে, তাঁকে ভিন্নভাবে সমাহিত করা হবে, যদিও সেটা কী হবে, এই লেখা যখন লিখছি, তখনো জানা যায়নি। তাঁর এই বক্তব্যে কেনিয়ার সাবেক স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল আরাপ মোই ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। ওয়াঙ্গারিকে তিনি পাগল নারী বলে আখ্যায়িত করতেও ছাড়েননি। কারণ, ওয়াঙ্গারির এই সহজ-সরল গাছ লাগানোর কাজটি দারিদ্র্য, সংঘাত দূর করার জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছিল, এমনকি ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কেনিয়ার তৎকালীন সরকার ১৯৯৮ সালে সংরক্ষিত বনে তার রাজনৈতিক মিত্রদের জমি বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নিলে ওয়াঙ্গারি জমি অধিকারের আন্দোলন শুরু করেন। তিনি সংঘাতপূর্ণ কিছুই করেননি, গাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ করেন, কিন্তু তাঁর প্রতিপক্ষ তীর-ধনুক নিয়ে এবং অস্ত্রসজ্জিত হয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। ওয়াঙ্গারি মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন। এর আগে ১৯৯২ সালে তিনি রাজনৈতিক বন্দী সন্তানের মায়েদের নিয়ে অনশন করলে পুলিশি নির্যাতনের শিকার হন। অর্থাৎ, ওয়াঙ্গারির গাছ লাগানোর কাজ নিছক পরিবেশবাদী কাজ হয়ে থাকেনি, বরং গণতান্ত্রিক ও শান্তির সংগ্রামের প্রতীক হয়ে ওঠে।
সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য গণতান্ত্রিক সরকার একান্তই জরুরি। কাজেই কেনিয়ার রাজনৈতিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে গাছ শুধু পরিবেশের জন্য নয়, গণতন্ত্রের প্রতীক হয়ে উঠল। ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও পরিবেশের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে লড়তে হলেও গাছ বড় অনুপ্রেরণা জোগায়। ওয়াঙ্গারি এটা দৃঢ়তার সঙ্গে বিশ্বাস করতেন। ওয়াঙ্গারি পরিবেশ আন্দোলনের পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবেও স্বৈরাচারী সরকারকে হটাতে সক্ষম হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, তিনি ২০০২ সালের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেন এবং ৯৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন। এই নির্বাচনে ড্যানিয়েল আরাপ মোইয়ের পতন ঘটে। নতুন প্রেসিডেন্ট কিবেকি তাঁকে পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।
গাছ লাগিয়ে দেশের এত বড় সমস্যার সমাধান করা যাবে, এমন চিন্তা অনেকের কাছে হাস্যকর মনে হয়েছিল। কিন্তু ওয়াঙ্গারি প্রকৃতির সঙ্গে এতই একাত্ম ছিলেন যে বড় সমস্যা সমাধানের জন্য অতি ক্ষুদ্রকায় পাখি হামিং বার্ডের কাছ থেকেও শিক্ষা নিয়েছিলেন। ওয়াঙ্গারি একটি গল্প বর্ণনা করে নিজের কাজের গুরুত্ব সম্পর্কে বলতেন এভাবে: ‘বনে আগুন লেগেছে, আর হামিং বার্ড ঠোঁটে পানি নিয়ে এক ফোঁটা করে ঢালছে। তা দেখে বৃহৎ প্রাণী হাতির মন্তব্য, হামিং বার্ড অনর্থক তার শক্তি ক্ষয় করছে। উত্তরে হামিং বার্ড বিনয়ের সঙ্গে বলে, আমার সাধ্যে যা কুলোয়, ততটুকুই আমি করছি।’ ওয়াঙ্গারি বলতেন, ‘আমি হাতি হয়ে বসে বসে পৃথিবী ধ্বংস হচ্ছে দেখতে চাই না, আমি হামিং বার্ড হয়ে আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব ততটুকু করে যাব।’
নারী অধিকার রক্ষার আন্দোলনে জড়িত হয়েই, নারীদের সমস্যার সমাধান করতে গিয়েই ওয়াঙ্গারির গাছ লাগানোর অপূর্ব চিন্তা এবং কাজ আমরা দেখেছি। তিনি নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেও পরিবেশ রক্ষা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছিলেন। তিনি মনোযোগ দিয়েছেন রাজনীতিতে, পাশাপাশি নারীদের রান্নার খড়ি জোগানোর কথা ভোলেননি।

Source :

Wednesday, September 27, 2017

বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে গাছ লাগাতে হবে


জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আবহাওয়ার বিরূপ আচরণ, তাল গাছের মতো লম্বা গাছের সংখ্যা কমে যাওয়া, আকাশে কালো মেঘের পরিমাণ ও মেঘে মেঘে ঘর্ষণের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া, মোবাইল ফোনের ব্যবহার, যত্রতত্র মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানো, কলকারখানা ও মোটরগাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, কৃষি কাজে ভারী যন্ত্রের ব্যবহারসহ নানা কারণে বজ্রপাতের হার বেড়ে গেছে।   গত কয়েক বছরে দেশে বজ্রপাত ও প্রাণহানি বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে এসব কারণ চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা।



যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইটনিং সেফটি ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিশ্বে বজ্রপাতে মারা যাওয়ার এক-চতুর্থাংশ ঘটে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি হওয়ায় মূলত মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে।

বজ্রপাতের আক্রান্তের শিকার ৭৬ ভাগ পুরুষ।

গত কয়েক বছরে দেশে বজ্রপাতের সংখ্যা ও এতে মৃত্যুর ঘটনা বেড়েছে। কিন্তু কেন বজ্রপাতে মানুষ মারা যায় এবং দিন দিন মৃত্যুর হার বাড়ছে? এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে বেশ কিছু তথ্য।


বজ্রপাত নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে কাজ করছেন এমন বিশেষজ্ঞরা উল্লিখিত কারণগুলো চিহ্নিত করেছেন। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যমতে, বজ্রপাত সারা বছরই কমবেশি হয়। তবে মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বজ্রপাতের হার বেড়ে যায়। তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে পাঁচটি এলাকা সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত প্রবণ। এগুলো হচ্ছে-শ্রীমঙ্গল, সিলেট, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর এবং সৈয়দপুর। এই পাঁচটি এলাকায় বছরে গড়ে ৩২৪, ৩২৪, ২০৬, ১৯৫ এবং ১৭৯টি বজ পাত ঘটে। আর রাজধানীতে গড়ে বছরে বজ পাত ঘটে ১২৪টি। এ ছাড়া শ্রীমঙ্গল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকায় সবচেয়ে বেশি

বজ্রপাত  হয় মে মাসে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল বলেন, বিদ্যুৎ প্রবাহ মানুষের শরীর দিয়ে প্রবাহিত হয়। অনেকটা ইলেকট্রিক শকের মতো। বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে মানুষ যেভাবে সঙ্গে সঙ্গে শকড হয়, ঠিক একইভাবে বজ্রপাতেও মানুষ শকড হয় এবং মৃত্যুবরণ করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কালো মেঘের ঘনত্ব বেড়ে গেছে। হঠাৎ বৃষ্টিপাতের পরিমাণও বেড়েছে। তিনি বলেন, মানুষ খোলা আকাশের নিচে যখন কাজ করে, বিশেষ করে কৃষি কাজে যখন থাকে তখন বজ্রপাত থেকে রক্ষা পাওয়া বেশ কঠিন। তবে একটু সতর্ক হলেই নিজেকে রক্ষা করা যাবে। এক্ষেত্রে আকাশে ঘন কালো মেঘ দেখলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে চলে যেতে হবে। তাহলেই বজ্রপাতের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, হাওর ও উন্মুক্ত এলাকায় বড় গাছ তো দূরের কথা, কোনো গাছপালাই থাকে না। ফলে এমন এলাকায় মানুষের চুলই সতর্কবার্তা দিতে পারে। বজ্রপাতের আগে মানুষের মাথার চুল খাঁড়া হয়ে যায়। এটা একটা সতর্কবার্তা। তখনই দ্রুত সাবধান হতে হবে ।

বজ্রপাত যেখানে ঘটে তার আশপাশে লম্বা গাছ বা যে বস্তু থাকে সাধারণত সেটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। লম্বা গাছ বা লম্বা বস্তুর পাশে খাটো কিছু থাকলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। তাল গাছের মতো লম্বা গাছের পরিমাণ কমে যাওয়ায় বজ্রপাতে মানুষ মারা যাচ্ছে। সতর্কতার জন্য বিরূপ আবহাওয়ার সময় ঘরের ওয়াইফাই সংযোগ, ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি, মোবাইল, কম্পিউটার এগুলো বন্ধ রাখতে হবে। বজ্রপাতের সময় একসঙ্গে অনেক লোক জড়ো হওয়া যাবে না। বিশেষ করে উন্মুক্ত স্থানে একসঙ্গে অনেক লোক একত্রিত হলে মৃত্যুর হার বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে গাছের সংখ্যা কমে গেছে। বিশেষ করে লম্বা গাছের সংখ্যা খুবই কম। তাই বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে রক্ষা পেতে হলে তাল গাছের পাশাপাশি লম্বা হয় এমন গাছও লাগাতে হবে। 

News Source : http://www.bd-pratidin.com/last-page/2017/09/26/267129